আধুনিক রসায়নের জনক কে

বিজ্ঞানের একটি প্রাচীন শাখার নাম হলো প্রাকৃতিক বিজ্ঞান। আর রসায়ন হলো প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের একটি শাখা। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রতিটি মুহূর্তে রসনবিজ্ঞান গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। দিনের শুরু থেকে রাতের শেষ প্রতিটি মুহূর্তে সকল ধরনের কাজ করছি রসায়ন বিজ্ঞানের মাধ্যমে। বিজ্ঞানের অনেক গুলো শাখা রয়েছে তার মধ্যে রসায়ন বিজ্ঞানটি অন্যতম। রসায়ন বিজ্ঞান টি এমন একটি বিজ্ঞান এটা একটি সাধারণ বিজ্ঞানের শাখা। রসায়ন বিজ্ঞানে পদার্থের গঠন, অনুর প্রকৃতি, পদার্থের ধর্ম ইত্যাদি সম্পর্কে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়ে থাকে।

তাই আপনারা অনেকেই আধুনিক রসায়নের জনক কে এ প্রশ্নের উত্তরটি সম্পর্কে জেনে নিতে চান। আমরা আমাদের আজকে র পোষ্টের মাধ্যমে এই বিষয়টি সম্পর্কে জানিয়ে দিব।তাছাড়া আপনাদের জন্য আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভাবে সকল শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য সকল প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর গুলো জানিয়ে দেই। তাই আপনারা আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত ভিজিট করুন।

বহু প্রাচীন কাল আগ থেকে মানুষ বিজ্ঞানকে ব্যবহার করে আসছে। আর সেই সময় থেকে মানুষ রসায়নকে ব্যবহার করে আসছে। মূলত আগুন আবিষ্কারের পর থেকেই মানব সভ্যতায় রসায়নের ব্যবহার শুরু হয়েছিল। প্রাচীনকালে আগুন আবিষ্কার করা টি ছিল রসায়নের অন্যতম একটি আবিষ্কার। সেই সময় পাথরের সঙ্গে পাথর ঘুষে আগুন সৃষ্টির মাধ্যমে মানব কুলের যে সুবিধা সৃষ্টি হয়েছিল তা আর রসায়ন বিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম একটি ঘটনা। প্রাচীন কালে মানুষ পশু শিকার করত সাধারণত ব্রোঞ্জ দিয়ে আর সেটা আবিষ্কার হয়েছিল রাসায়নিক পদ্ধতির মাধ্যমে। রসায়ন প্রাথমিক ভাবে অণু,পরমাণু এবং আয়ন সম্পর্কে বিশেষ ধরনের তথ্য উপস্থাপন করে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

রসায়ন হলো পদার্থের বৈশিষ্ট্য এবং আচরণের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। এ বিজ্ঞানটি সাধারণত একটি প্রাকৃতিক বিজ্ঞান। মুসলিম বিজ্ঞানীরা মধ্যযুগে পাথরের সন্ধান করার সময় এই রসায়ন বিজ্ঞানটি আবিষ্কার করে ফেলেছিল। তাই রসায়নের জনক হলো মুসলিম বিজ্ঞানী জাবির ইবনে হাইয়ান। এ বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম রসায়ন নিয়ে এত বেশি গবেষণা করেন যে, সে কারণে রসায়নের জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তবে এই বিজ্ঞান টি কে নিয়ে আরও আধুনিকভাবে গবেষণা করে অনেক আধুনিক বিজ্ঞানী। তবে আধুনিক রসায়ন বিজ্ঞানী হিসেবে সাফল্য পেয়েছে এন্টনি লরেন্ট ল্যাভয়সিয়ে তাই আধুনিক বিজ্ঞানের জনক হিসেবে তাকে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। অক্সিজেন আবিষ্কার এবং অক্সিজেনের নামকরণ করার কারণে তাকে আধুনিক রসায়নের জনক বলা হয়। এছাড়াও আধুনিক রসায়নে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *