তথ্য ও উপাত্তের মধ্যে পার্থক্য ৫ টি

এ কথা বলা যায় যে প্রাচীনকাল থেকেই কোন নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে বাস্তব জীবনের অনেক ঘটনা বা তথ্যাবলী আমরা গাণিতিক সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করার চেষ্টা করে আসছি। বর্তমানের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ঘটনা বা তথ্যসমূহ সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করার ব্যাপকতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আর সেখান থেকে সংখ্যাবাচক তথ্যসমূহ নিয়ে প্রকাশ করাই হচ্ছে পরিসংখ্যান। দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন পরিসংখ্যান আরো সহজ করার জন্য এবং আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য তা বিভিন্নভাবে আমরা লেখচিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করে থাকি। আমরা জানি যে সংখ্যা ভিত্তিক কোন তথ্য বা ঘটনাও হচ্ছে একটি পরিসংখ্যান আর তথ্য বা ঘটনা নির্দেশক সংখ্যাগুলোই হচ্ছে পরিসংখ্যানের উপাত্ত। অর্থাৎ যদি কোন পরীক্ষার গণিতের প্রাপ্ত নম্বর দেওয়া থাকে তাহলে এই নম্বর সমূহ একটি পরিসংখ্যান নির্দেশ করে।

আর এই নম্বরগুলো এই পরিসংখ্যান এর উপাত্ত হিসেবে ধরা হয়। এই উপাত্ত গুলো সহজে সরাসরি উৎস থেকে সংগ্রহ করা যায়। সরাসরি উৎস থেকে সংগ্রহীত উপার্থে নির্ভরযোগ্যতা অনেক বেশি। সরাসরি উৎস থেকে সংগৃহীত হয় এমন উপাত্তগুলোকে আমরা প্রাথমিক উপাত্ত বলে বলে বলা হয়ে থাকে। আবার মাধ্যমিক উপাত্ত পরোক্ষ উৎস থেকে সংগৃহীত হয় বিধায় এর নির্ভরযোগ্যতা অনেক কম হয়ে থাকে। তাহলে এখন আমরা দেখতে পারি তথ্য কাকে বলে এবং উপাত্ত কাকে বলে।

উপাত্ত: সুনির্দিষ্ট ফলাফল পাওয়ার জন্য আমাদের প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত কাঁচামাল সমূহ কে ডেটা বা উপাত্ত বলা হয়।

তথ্য: যেহেতু সুনির্দিষ্ট ফলাফল পাওয়ার জন্য প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত কাঁচামাল সম্মুখে উপাত্ত বলা হয়। আর অন্যদিকে উপাত্ত কে প্রক্রিয়াকরণ করে যে অর্থবহ ফলাফল পাওয়া যায় তাকে তথ্য বলা হয়। তাই তথ্য হচ্ছে প্রক্রিয়াকরণের পূর্বের অবস্থা। ডেটা হচ্ছে প্রক্রিয়াকরণের পরের অবস্থা কে বোঝায়। সত্যকে আমরা সরাসরি ব্যবহার করতে পারি না কিন্তু তথ্যকে সরাসরি ব্যবহার করা যায়। উপাত্ত দ্বারা কোন বিষয়ে পুরোপুরি ভাবে ভাবার্থ প্রকাশ পায় না। অন্য দিক থেকে বলা যায় যে তথ্য হলো বা তথ্য দ্বারা যে কোন বিষয়ে পুরোপুরিভাবে ভাবার্ত প্রকাশ পায়। তথ্য পারতে কেন্দ্রীয় প্রবণতা এবং পরিমাপক গড় মধ্যে প্রতিরোধ সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত হতে হয়। তাই পরিসংখ্যানের মৌলিক ধারণা ও সংক্ষিপ্ত বিষয়বস্তু জানা আমাদের অবশ্যক। যদি কোন তথ্যপ্রাপ্ত অবিন্যস্ত থাকে তাদেরকে অবিন্যস্ত উপাত্ত বলা হয়। অবিন্যাস তো উপাত্তগুলিকে অনেক সময় বিন্যস্ত করা বেশ জটিল হয় এবং ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

এক্ষেত্রে যদি আমরা অবিন্যস্ত উপাত্ত সম্মোহকে বিন্যস্ত করার জন্য শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে করে থাকি তাহলে খুব ভালো হয়। শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে ও বিন্যস্ত কত সমূহ অতি সহজেই আমরা বিন্যস্ত উপত্যকা রূপান্তরিত করতে পারি। তথ্য ও উপাত্তগুলি আমরা নেতৃত্বের মাধ্যমে উপস্থাপন করাটাও একটি বহুল প্রচলিত পদ্ধতি। কোন পরিসংখ্যানে ব্যবহৃত উপাত্ত লেখচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপিত হলে তা আবার অতি খুব সহজেই বোঝা যায় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য খুব সুবিধা জনক হয়। অধিকাংশ চিত্রের মাধ্যমে আমরা উপসরিত তথ্যগুলিকে উপাত্ত দেখতে অনেক সুন্দর হয়। তাই বোঝা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ সমূহের গণসংখ্যা নিব চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়।

আপনারা আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন। আমাদের ওয়েবসাইটে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সকল বিষয়ে তথ্য পার্থক্যগুলি দেওয়া থাকে। যে ধারণা তথ্যগুলি আপনাদের প্রাত্যহিক জীবনে প্রয়োজন হয় সে ধরনের সকল তথ্য গুলি আমরা অত্যন্ত সুন্দর সহজ সরল ভাষায় প্রকাশ করে থাকি। তাই এ ধরনের তথ্য আপনাদের যদি প্রয়োজন হয় অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করে দেখে নিতে। আমাদের ওয়েবসাইট থেকে প্রশ্নের উত্তরগুলি আপনারা ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। প্রশ্নের উত্তরগুলি ডাউনলোড করে নিতে আপনাদের আলাদা কোনো অর্থের প্রয়োজন হবে না। এ পর্যায়ে আমরা তথ্য ও পাত্রের মধ্যে পার্থক্যগুলি দিয়ে দিলাম যাতে আপনাদের এ সম্পর্কে আর কোন সমস্যা না থাকে। এখান থেকে অবশ্যই আপনারা তথ্য এবং উপাধ্যের পূর্ণাঙ্গ ধারণা নিতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *