বর্গমূল নির্ণয়ের সূত্র কি

অনেক গণিতের প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে আমাদের বর্গ নির্ণয় করতে হয় এবং বর্গমূলও করতে হয়। বর্গ এবং বর্গমূল গণিতের একটি বিশেষ অংশ জুড়ে আছে। তাই আমাদের শিখতে হবে কিভাবে বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে। এখন আমরা দেখতে পারি বর্গমূল নির্ণয়ের সূত্রটি কি। আপনারা যারা আমাদের ওয়েবসাইটের নতুন, তারা অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন, কারণ আমাদের ওয়েবসাইটে সকল শিক্ষা বিষয়ক অর্থাৎ গণিত, ইংরেজি ,বাংলা, সমাজ বিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থ, জীববিজ্ঞান সকল বিষয়ের সঠিক প্রশ্নের উত্তরগুলি প্রকাশ করে থাকে।

তাই আপনারা আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করে আমাদের পাশে থাকবেন। আর আমরা সঠিক উত্তর দিয়ে আপনাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করে যাবো। যাদের এই প্রশ্নের উত্তরগুলি ডাউনলোড করে নিতে হবে তারা আমাদের এই ওয়েবসাইট থেকে প্রশ্নের উত্তর গুলো ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। আমাদের ওয়েবসাইটে এসে নিচের ডাউনলোড অপশন এ গিয়ে, সেখানে দেখানো লিংকে ক্লিক করে আপনারা নিতে পারেন আপনাদের সেই প্রশ্নের উত্তরগুলি।

বর্গ ও বর্গমূল সম্পর্কে সপ্তম শ্রেণীর গণিত বইতে একটি অধ্যায় আছে। এবং সেখানে আমাদের বর্গমূল নির্ণয় করতেও বলা হয়েছে। তাই বর্গমূল নির্ণয় করার জন্য আমাদের সূত্রের খুবই প্রয়োজন। সবকিছুই যদি কোন সূত্র থাকে তাহলে সেই সূত্রের মাধ্যমে সমাধান করাটা একটি সহজ ব্যাপার হয়ে যায়। আর যদি সূত্র না পাওয়া যায় তাহলে সেই সমস্যার সমাধান করতে অনেক কষ্টের সম্মুখীন হতে হয়।

তাই আজ আমরা বর্গমূল নির্ণয়ের সূত্র নির্ণয় করব। বর্গমূলের সূত্র নির্ণয় করতে পারলে শিক্ষার্থীরা সংখ্যার বর্গ এবং বর্গমূল উভয় ই ব্যাখ্যা করতে পারবে। তারা উৎপাদক ভাগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বর্গমূল নির্ণয় করতে পারবে। প্রথমে দেখি বর্গ মূল কাকে বলে। কোন সংখ্যাকে সেই সংখ্যা দ্বারা গুণ করলে যে গুণফল পাওয়া যায় তা ওই সংখ্যার বর্গ এবং সংখ্যাটি গুণফলের বর্গমূল।

বর্গমূল সংখ্যার ক্ষেত্রে কয়েকটি উপদেশ দেওয়া যেতে পারে_ সেগুলি হল ১. যে সংখ্যার সর্ব ডান দিকের অংক অর্থাৎ একক স্থানীয় অংক, দুই বা তিন বা সাত বা ৮ হলে সেটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হয় না।
২. যে সংখ্যার শেষে বিজোড় সংখ্যক শূন্য থাকে ওই সংখ্যা পূর্ণবর্গ হবেনা।
৩. একক স্থানীয় অংক এক বা চার বা পাঁচ বা ছয় বা 9 হলে ওই সংখ্যা পূর্ণবর্গ হতে পারে।
৪. সংখ্যার ডান দিকে জোড় সংখ্যক শূন্য থাকলে ওই সংখ্যা পূর্ণবর্গ হতে পারে।

কয়েক ধরনের পদ্ধতিতে বর্গমূল নির্ণয় করা যায়। যথা মৌলিক গুণনীয়কে সাহায্যে বর্গমূল নির্ণয়, ভাগ প্রক্রিয়ায় বর্গমূল নির্ণয় ইত্যাদি। মৌলিক গণনীয়কে সাহায্য বর্গমূল নির্ণয়ে যা যা করতে হবে, প্রথমে শিক্ষার্থীরা সংখ্যাটিকে মৌলিক উৎপাদকের সাহায্যে ভেঙে ফেলবে, তারপর একই রকম মিল সংখ্যাকে জোড়ায় জোড়ায় করতে হবে এবং প্রত্যেক জোড়া থেকে একটি করে সংখ্যা নিয়ে, সংখ্যাগুলোর গুণফল বর্গমূল হবে।

এখানে আমাদের কিছু বিষয়ের উপর লক্ষ্য রাখতে হবে সেটি হচ্ছে প্রথমে প্রদত্ত সংখ্যাটিকে মৌলিক গুণনীয়কে বিশ্লেষণ করতে হবে, প্রতি জোড়া একই গুণনীয়ককে একসাথে পাশাপাশি লিখতে হবে, প্রতি জোড়া এক জাতীয় পরিবর্তে একটি গুণনীয় নিয়ে লিখতে হবে ইত্যাদি। এছাড়াও আছে ভাগ প্রক্রিয়ার সাহায্যে বর্গমূল নির্ণয়। ভাগ প্রক্রিয়া বর্গমূল নির্ণয় করতে হলে আমাদের সংখ্যাটিকে লিখে ডান দিক থেকে জোড়া জোড়া করে নিতে হবে তারপর শেষের জোড়া বা বামের দিকে শেষ অংকটি দেখতে হবে বর্গ সংখ্যা কিনা। যদি বর্গসংখ্যা না হয় তাহলে এর নিচের বর্গ সংখ্যা কত। নিচের বর্গ সংখ্যাটি বর্গমূল ডান দিকে উত্তরের জায়গায় লিখে ওই সংখ্যার বর্গ সংখ্যা শেষ জোড়াটির অথবা শেষ সংখ্যাটির নিচে লিখে বিয়োগ করে নিতে হবে। তারপর পরের জোড়া নামিয়ে নিতে হবে। এরপর উত্তরের সংখ্যাটির ডাবল বাম পাশে একটু ফাঁকা জায়গা রেখে লিখতে হবে।

এখন দেখতে হবে এই সংখ্যাটি আগের নামানোর সংখ্যা টির মধ্যে কয়বার যায়। যতবার যাবে উত্তরে ততবার লিখে ওই সংখ্যাটির বর্গমূল এই সংখ্যাটির নিচে লিখে বিয়োগ করতে হবে। এই প্রক্রিয়াটি যতক্ষণ বর্গমূল শেষ না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত চলতে থাকবে। এভাবেই বর্গমূল নির্ণয় করতে হয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *